• ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

East Bardhaman

রাজনীতি

বর্ধমানে পৌঁছল বিহারের ৫৫টি বাইক, উদ্দেশ্য ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি সংঘাত তুঙ্গে

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির মধ্যেই পূর্ব বর্ধমানে শুরু হয়ে গেল রাজনৈতিক চাপানউতোর। শনিবার বিহারের নম্বর প্লেটযুক্ত ৫৫টি পুরনো মোটরবাইক বর্ধমান জেলা বিজেপি দলীয় অফিসের ঠিকানায় এসে পৌঁছানোকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বাইকগুলি ট্রেন থেকে নামিয়ে বর্ধমান রেল স্টেশনের ইস্টার্ন রেলওয়ের পার্সেল অফিসের সামনে রাখা হয়।এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের একাধিক নেতা ও কর্মী। বর্ধমান রেল স্টেশনে পার্সেল অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে তৃণমূল। বাইকগুলির মালিকানা, পরিবহণ সংক্রান্ত নথি এবং কেন শুধুমাত্র বিজেপির বর্ধমান জেলা অফিসের ঠিকানায় এই বাইক পাঠানো হয়েছে। তা প্রকাশ্যে আনার দাবি তোলেন বিধায়ক।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, বিহারের রাজেন্দ্রনগর থেকে সুনীল গুপ্তা নামের এক ব্যক্তির নামে এই ৫৫টি বাইক পাঠানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, বিধানসভা ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবেই বাইকগুলি রাজ্যে ঢোকানো হচ্ছে। তৃণমূল নেতৃত্বের আশঙ্কা, আগামী দিনে এই বাইক ব্যবহার করে বাইরের লোকজন বা দুষ্কৃতীদের রাজ্যে ঢোকানোর চেষ্টা হতে পারে। জানা গিয়েছে, এই ৫৫টি নয়, ২৩ জেলা মিলিয়ে প্রায় ৬০০০ মোটর বাইক আসার কথা।বিধায়ক খোকন দাস স্পষ্ট ভাষায় জানান, এতগুলো বাইক বিহার থেকে কী উদ্দেশ্যে বাংলায় আনা হয়েছে, তা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। ভোটের আগে এই বাইক ব্যবহার করে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে। একই সঙ্গে তিনি রেল ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। দলের বর্ধমান শহর সভাপতি তন্ময় সিংহ রায়ও বাইকগুলির সম্পূর্ণ তথ্য জনসমক্ষে আনার দাবি জানান। তাঁর বক্তব্য, রেল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি জেলা ও রাজ্য প্রশাসনকে এই পরিবহণের বিস্তারিত জানাতে হবে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় নথি প্রকাশ না হলে বাইকগুলি পার্সেল অফিস থেকে ছাড়তে দেওয়া হবে না।অন্যদিকে, তৃণমূলের সব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বিজেপি। জেলা বিজেপি নেতা দেবজ্যোতি সিংহরায় বলেন, কিছুদিন আগেই বিহারে নির্বাচন হয়েছিল। সেই সময় দলীয় কর্মীদের কাজে ব্যবহারের জন্য এই বাইকগুলি ব্যবহার করা হয়েছিল। বিহারের ভোট শেষ হওয়ায় সেগুলি এখন পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্ধমান জেলা বিজেপি অফিস রাঢ়বঙ্গ জোনের কেন্দ্রীয় অফিস হওয়ায় এখানকার ঠিকানাতেই বাইক পাঠানো হয়েছে। বিজেপির দাবি, প্রতি নির্বাচনের আগেই এভাবেই বাইক আনা হয় এবং বিষয়টি জেনেও তৃণমূল অহেতুক বিতর্ক তৈরি করছে। বাইক বিতর্কে প্রশাসনের ভূমিকা কী হয়, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে কৌতূহল।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

গুজরাটে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্য়ু বর্ধমান শহরের ৪ বাসিন্দার, গিয়েছিলেন সোমনাথ মন্দির দর্শনে

গিয়েছিলেন গুজরাটে সোমনাথ মন্দির দর্শনে। সেখানে পথ দুর্ঘটনার বলি হল বাংলার পাঁচ পর্যটকের। জখম ৪ জন। মৃতদের মধ্যে ৪ জন বর্ধমান শহরের বাসিন্দা। আরেকজন পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের বাসিন্দা। ৪ মৃতর মধ্যে আবার একই পরিবারের ৩ জন রয়েছেন। এঁরা ছাড়াও আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি গুজরাটের বাসিন্দা পর্যটকবাহী গাড়ির চালাক। পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে, গুজরাটের সুরেন্দ্রনগর জেলার ছুদা পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত নভীমোরওয়াড গ্রামের কাছে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। একটি ডাম্পারের সঙ্গে পর্যটকবাহী গাড়ির সংঘর্ষ ঘটে। ডাম্পারের ধাক্কায় পর্যটকদের গাড়ি দুমড়ে মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থলেই মারা যায় দুই মহিলা সহ ৫ জন,পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় আরও একজনের।জানা গিয়েছে,বর্ধমানের শ্যামলাল ও বাদশাহী রোড এলাকা থেকে ৯ জন গত ১০ ফেব্রুয়ারী গুজরাটে যান। মৃত দেবব্রত মুখোপাধ্যায়, রীতা মুখোপাধ্যায় ও ঋতব্রত মুখোপাধ্যায় একই পরিবারের সদস্য। তাঁদের বাড়ি বর্ধমান পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাদশাহীরোডে রবীন্দ্রকানন এলাকায়। অপর মৃত অনিকেত তা-এর বাড়ি ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামলাল এলাকায় এবং শুক্লা চ্যাটার্জীর বাড়ি আসানসোল কোর্ট মোড়ে। বাকি আহতদের চিকিৎসা চলছে সুরেন্দ্রনগর শিবসাগর হাসপাতালে।বাদশাহীরোড রবীন্দ্রকাননের বাসিন্দা দেবব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রতিবেশী সোমেশ্বর চৌধুরী বলেন, আমরা খবর পেয়েছিলাম যে বাংলার একটি পর্যটকদের গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়েছে। কিন্তু তখন জানতাম না সেটা বর্ধমানের গাড়ি। মৃত দেবব্রত মুখোপাধ্যায় স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মাস খানেক হল তিনি অবসর নিয়েছেন। ছেলে ঋতব্রত কলকাতায় ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছিল।অন্যদিকে বর্ধমান শহরের শ্যামলালের বাসিন্দা মৃত অনিকেত তা। প্রতিবেশী অভিজিৎ রজক বলেন, অনিকেত মারা গিয়েছে দুর্ঘটনায় এটুকু জানতে পেরেছি। বাকিরা কেমন আছে সে খবর পাচ্ছি না। অনিকেতের বছর খানেক আগে বিয়ে হয়। তাঁরা স্বামী স্ত্রী দু-জনেই ভ্রমণে যান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রতিবেশীরা জানান, এঁরা সবাই নিজেদের আত্মীয়ের সম্পর্ক। গুজরাট যাওয়ার কিছু দিন আগে এঁরা সবাই প্রয়াগে কুম্ভ স্নানে গিয়েছিলেন। তারপর বাড়ি ফিরে রওয়ানা দেন গুজরাট।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানে রবিবার জনসভা আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের, সংগঠন মজবুত করার ওপর জোর

মধ্যবঙ্গ সফরে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। শুক্রবার বর্ধমান শহরের উল্লাসে আরএসএস মধ্যবঙ্গ প্রান্তের কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন মোহন ভাগবত। আগামিকাল তালিত সাঁই কমপ্লেক্সে জনসভা করবেন আরএসএস প্রধান। তাঁর এই জনসভার দিকে নজর রয়েছে প্রশাসন থেকে রাজনৈতিক মহলের। মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন জনসভা প্রথমে পুলিশ প্রশাসনের অনুমোদন পায়নি। শর্ত সাপেক্ষে এই জনসভা করার অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট।সামনেই ২০২৬ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ১০ দিনের বাংলা সফরে এসেছেন মোহন ভাগবত। বিগত কয়েকদিন ধরেই পুরনো সংঘ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের পর এবার মধ্যবঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করছেন মোহন ভাগবত। গ্রামীণ ক্ষেত্রে সংগঠন মজবুত করে উদ্যোগী সংঘ। একই সঙ্গে পুরসভায় ওয়ার্ড ভিত্তিক ইউনিট গড়র পরিকল্পনা নিয়েছে আরএসএস।বিগত কয়েক মাস ধরেই উত্তপ্ত বাংলাদেশ। সেখানে হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের ওপর অত্য়াচার করা হচ্ছে। সেই আবহে বাংলা সফর করছেন মোহন ভাগবত। বাংলায় কি প্রতিক্রিয়া তা পর্যবেক্ষণ করছেন তিনি। জনসভায় মোহন ভাগবত বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে কোনও বক্তব্য় রাখেন কিনা, সেদিকে নজর রয়েছে অভিজ্ঞ মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫
রাজ্য

আইপিএস পদে রদবদল, বদলি হচ্ছেন পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার

রাজ্যে আইপিএস পদে রদবদল। বদলি হলেন বর্ধমান ও বীরভূমের পুলিশ সুপার। সোমবার রাজ্য পুলিশ এক বিজ্ঞপ্তিতে তিন আইপিএস অফিসারের বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। ট্রেনিং থেকে এবার ফিরে বীরভূমের পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন আমনদীপ। এসএস সিআইডি সায়ক দাসই এবার অফিসিয়ালি পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার হিসাবে যোগ দিচ্ছেন। তিনি অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। বর্ধমানের পুলিশ সুপার আমনদীপ ট্রেনিংয়ে ছিলেন। এদিকে বীরভূমের পুলিশ সুপার রাজনারায়ন মুখোপাধ্যায় সরছেন। তার জায়গায় বর্ধমানের পুলিশ সুপার আমনদীপ যোগ দিচ্ছেন বীরভূমের পুলিশ সুপার পদে। অন্যদিকে রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায় এসপি ট্রাফিক পদে যোগ দিচ্ছেন।

জানুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে কই মাছ প্রাণ কাড়লো যুবকের! কি ভাবে ঘটল এই বিরাট বিপত্তি?

ভরা বর্ষায় রাস্তায় কই মাছ ধরতে গিয়ে বড় বিপত্তি। মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলো পূর্ব বর্ধমানে। অসাবধনতা বসত গলায় কই মাছ আটকে প্রাণ গেল যুবকের। মৃতের নামে সাগর রায়, বয়স ৩৫। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানে জামালপুরের তেলে গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। সাগরের বাড়ি হুগলির পান্ডুয়ায়। তেলে গ্রামে ভাড়া বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন সাগর। বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমানে স্ত্রীকে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। জৌগ্রাম স্টেশনে নামর পর স্ত্রীর সঙ্গে হেঁটেই ফিরছিলেন তেলে গ্রামে। তখন সময় প্রায় রাত ৮টা। কর্ম সূত্রে এই গ্রামে থাকতেন সাগর। অতি বৃষ্টির জেরে চারিদিকে জল থই থই। স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই নজরে আসে জলের মধ্যে কই মাছ ঘুরছে। কই মাছ হাতের সামনে পেয়ে স্থির থাকতে পারেননি সাগর। ধরতে শুরু করেন কই মাছ। জানা গিয়েছে, প্রথমে দুই হাতে দুটি কই মাছ ধরে সাগর। রাস্তায় আরও কই মাছ দেখতে পান সাগর। তখন হাতের একটি মাছ দাঁতে চিপে রেখে অন্য একটি কই ধরতে যায়। এতেই ঘটে যায় চরম বিপত্তি। মুখের কই মাছটি ঢুকে গলায় গিয়ে আটকে যায়। এই পরিস্থিতি দেখে চিৎকার করতে শুরু করেন সাগরের স্ত্রী। চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন সেখানে ছুটে আসে। তৎখনাৎ সাগরকে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় সাগরের। এই ঘটনায় এলাকার শোকের ছায়া নেমে আসে।পরিবার সূত্রে খবর, সাগর অন্তঃসত্বা স্ত্রীকে চিকিৎসক দেখাতে বর্ধমানে এসেছিলেন। হুগলির পান্ডুয়ার রামবোয়া গ্রামে তাঁর বাড়ি। পাশে ঝাপানডাঙ্গা এলাকায় সাগরের শ্বশুড় বাড়ি। ছেলের মৃত্যু সংবাদে ভেঙে পড়েছেন সাগরের মা লক্ষ্মী রায়। কই মাছ ধরতে গিয়ে ছেলের প্রাণ চলে গেল, বলতে বলতে হাউ হাউ করে কাঁদছেন লক্ষ্মীদেবী।

আগস্ট ০২, ২০২৪
রাজনীতি

রাজ্যের মন্ত্রীদের সামনেই সিপিএমকে ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়কের

বর্ধমানে তৃণমূলের সভা থেকে সিপিএমকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন বিধায়ক খোকন দাস। শনিবার বিকেলে বর্ধমানের কার্জনগেট চত্বরে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি, ইডি ও সিবিআইয়ের আগ্রাসী মনোভাব ও সিপিএমের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, প্রদীপ মজুমদার ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।গত ৩১ আগষ্ট বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে বর্ধমানের কার্জনগেট চত্বরে। সেখানে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করে বামকর্মী সমর্থকরা।এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি চলে। জলকামান ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে বাম কর্মী সমর্থকদের সরাতে গেলে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহেরা নেয়। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী জখম হয়। তারপর দুদিনে বর্ধমানের নীলপুর ও দেওয়ান দীঘি এলাকায় দুটি সিপিএমের দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।এদিনের সভায় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস বলেন, আমাদের নেত্রী শান্তির প্রতীক। কলকাতা থেকে আমাদের নেতা অভিষেক ব্যানার্জী শান্ত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন, কোন গণ্ডগোল ও অশান্তি করতে মানা করেছেন। বাংলা অশান্তি চায় না। তা নাহলে বর্ধমান শহরের সিপিএমের সব পার্টি অফিস গুড়িয়ে দিতে পাঁচ মিনিট সময় লাগতো না। সিপিএম নতুন খেলা শুরু করেছে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম রাজ্যের যেখানে যাচ্ছেন সেখানে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছেন। ৩১ আগষ্ট জেল ভরো আন্দোলনের নামে বর্ধমানে ভাঙচুর করে সিপিএম। গোটা শহরে একটা ইটের টুকরো পাবেন না। কিন্তু সেদিন বস্তা বস্তা ইটের ঢিল ছোড়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের প্রকল্পগুলির ছবি কার্জনগেট চত্বরে টাঙানো হয়েছিল পৌরসভার পক্ষ থেকে। কিন্তু সিপিএম উন্নয়ন চায় না। ৩৪ বছরে রাজ্যে কোন উন্নয়ন করে নি।অন্যদিকে মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, হাঁটা শুরু করলে সিপিএমকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। সিপিএমের আমলে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে বেছে বেছে সিপিএমের লোকেদের।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান সানমার্গের কর্ণধার সৌম্যরূপ ভৌমিককে হন্যে হয়ে খুঁজছে সিবিআই, সংস্থার রেজিস্ট্রেশনের ঠিকানাতেও জালিয়াতির অভিযোগ

বর্ধমান সানমার্গের অফিস ছিল বর্ধমান শহরে। শহরের ঢলদীঘি মোড়ের উল্টো দিকে অফিস তৈরি করে বাজার থেকে টাকা তোলা শুরু করে এই চিটফাণ্ড সংস্থা। এই সংস্থার মালিক কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশনের সময় বর্ধমান শহরের যে বাড়ির ঠিকানা দিয়েছিল সেই বাড়িতে ইতিমধ্যেই ইডির সমন এসেছিল বলে জানান স্থানীয়রা। সিবিআই তাকে অনেকদিন ধরেই খুঁজে বেড়াচ্ছে। কিন্তু তারা তার এখনও নাগাল পায়নি। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চিটফাণ্ড সংস্থার সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা প্রণব চট্টোপাধ্যায়। বর্ধমান পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে প্রণব চট্টোপাধ্যায় নিযুক্ত হওয়ার পরই তাকে গত বছর ডিসেম্বর মাসে তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করে। কিন্তু তিনি চলতি বছরের অগাস্ট মাসে জামিন পেয়ে যান। সিবিআই সূত্র জানা গেছে, জামিন পেলেও তদন্ত থামেনি। প্রয়োজনে আবারও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। সৌম্যরূপ ভৌমিক বর্ধমান শহরের খক্কর সাহেব এলাকার যে বাড়ির ঠিকানা দিয়ে কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন করেছিলেন সেই বাড়ি তার কোনও দিনই ছিল না বলে জানান স্থানীয়রা। খক্কর সাহেব এলাকার সেই বাড়িতে গিয়ে জানা গেল, বাড়িটি তার খুড়তুতো ভাই অরূপ ভৌমিকের। বাড়িতে কেউ না থাকায় পরিবারের কারও সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে বাড়ির কেয়াটেকার জানান, সৌম্যরূপ এই বাড়ির কেউ নন। উনি অরূপ ভৌমিকের খুড়তুতো ভাই। ওনাকে এই বাড়িতে কখনও দেখেননি। এখন কোথায় তিনি আছেন তা-ও জানা নেই। স্থানীয়রা জানান দীর্ঘদিন এই পাড়াতে সৌম্যরূপকে দেখা যায়নি। এটা অরূপ ভৌমিকের বাড়ি। বর্ধমান সানমার্গের নামে আমানতকারীদের কাছ থেকে কোটি কোটি আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে সৌম্যরূপের বিরুদ্ধে। চিটফান্ডের তদন্তের সময় গা-ঢাকা দেয় সৌম্যরূপ। সেই টাকা কাদের কাছে গচ্ছিত রেখেছে ওই চিটফান্ড কর্তা তা তদন্ত করে দেখছে সিবিআই।এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা প্রণব চট্টোপাধ্যায় বলেন, হালিশহর পৌরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানীকে তিনি চেনেন না। তার স্ত্রী রেখা চট্টোপাধ্যায়ের নামে বিল্ডিং। সেই বিল্ডিং ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। তাঁকে মিথ্যা মামলায় সিবিআই ফাঁসায়। বর্ধমান সানমার্গের সঙ্গে তাঁর কোন সম্পর্ক নেই। তাঁর স্ত্রীর বিল্ডিং তিনি দেখভাল করেন। তার ব্যাঙ্কে ৫ কোটি লোন ছিল। এখন তা কমে সাড়ে তিন কোটি টাকা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

Money Theft: ব্যাঙ্ক গ্রাহকের টাকা ছিনতাই করে পালাতে গিয়ে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেপ্তার ওড়িশার ২ দাগী দুস্কৃতি

ব্যাঙ্ক গ্রাহকের মোটর বাইকের টুল বক্স ভেঙে মোটা টাকা ছিনতাই করে নিয়ে পালানোর সময়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ভিন রাজ্যের দুই দাগী দুস্কৃতি।ধৃতদের নাম আউল সোম ও রাণা আউল প্রধান। এদের মধ্যে আউলের বাড়ি ওড়িশার গঞ্জাম জেলার আসকা (Aska) থানার ডোমকুনি সাহাপুর এলাকায়। অপর ধৃত রাণার বাড়ি ওড়িশার জয়পুর জেলার কোরাই (Korai)থানার পূর্বকোটে (Purbakote) এলাকায়। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ে যায় ওড়িশা রাজ্যের এই দুই কুখ্যাত দুস্কৃতি। তাঁদের কাছ থেকেই উদ্ধার হয় ছিনতাই হওয়া টাকা। থানায় পুলিশের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতদের সম্পর্কে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা জেনে কার্যত স্তম্ভিত জেলা পুলিশের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?পুলিশ জানিয়েছে, খণ্ডঘোষের কৈয়ড় গ্রামে বাড়ি যুবক শৈলেন মুখোপাধ্যায়ের। এদিন দুপুরে রায়নার সেহেরাবাজারের একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক থেকে মোটা টাকা তুলে তিনি তাঁর মোটর বাইকের টুল বক্সে রাখেন। এর পর তিনি তাঁর বাইকে চেপে ব্যাঙ্ক থেকে কিছুটা দূরে একটি দোকানের সামনে বাইকটি দাঁড় করিয়ে দোকানে ঢোকেন। ওই সময়ে কয়েক মুহুর্তের মধ্যে শৈলেন মুখোপাধ্যায়ের ওই বাইকের টুলবক্স ভেঙে টাকা নিয়ে দুই দুস্কৃতি তাঁদের নীল রঙের বাইকে চেপে দ্রুত পালিয়ে যায়। এই ঘটনা দেখার পরেই ওই দোকানের সামনে থাকা লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। তখনই শৈলেনবাবু দোকান থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখেন তাঁর মোটর বাইকের টুলবক্স ভাঙা। টুল বক্সে টাকা নেই। তারই মধ্যে সেখানকার অনেকে নীল রঙের বাইকে চেপে পালানো দুস্কৃতিদের পিছু ধাওয়া করে। কয়েকজন রায়না থানার পুলিশকেও ঘটনা বিষয়ে জানায়। সেই খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসে রায়না ও জামালপুর থানার পুলিশ। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান বলেন, খবর পাওয়া মাত্র বিভিন্ন থানাকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। সেহেরাবাজার থেকে জামালপুর যাওয়ার পথে রায়না ও জামালপুরে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের নাকা শুরু হয়। নীল বাইকে চেপে থাকা দুই দুস্কৃতি সেহারাবাজার থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও জামালপুরের কাড়ালাঘাট এলাকায় তারা ধরা পড়ে যায়। ছিনতাই হওয়া টাকাও তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ ওই দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি তাঁদের নম্বরবিহীন নতুন মোটরবাইকটি বাজেয়াপ্ত করেছে। শৈলেন মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে অপারেশন চালিয়ে দুস্কৃতিরা তাঁর বাইকের টুলবক্স ভেঙে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ দ্রুত তৎপর হওয়াতেই দুস্কৃতিরা ওই টাকা সহ ধরা পড়েছে।আরও পড়ুনঃ ফের দিল্লি সফরে রাজ্যপাল, কারণ অজানা ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃতরা মূলত ওড়িশা, বিহার ও বাংলায় অপরাধ চক্র চালায়। তাঁরা ওড়িয়া ছাড়াও হিন্দি ও বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে। ধৃতদের বিরুদ্ধে পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি থানাতে জাল নোট পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তারা কিছুদিন আগে গঞ্জাম এলাকায় ২ লক্ষ টাকা ছিনতাই করে পূর্ব মেদিনীপুরে চলে আসে। সেখানে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে এই নীল মোটরবাইকটি কেনে। সেই মোটরবাইক নিয়ে কলকাতাতে বেশ কিছু দিন ঘুরে তারা পূর্ব বর্ধমান জেলায় এসে বিভিণ্ন জায়গায় ঘুরে রেইকি করে যাচ্ছিল। কিছুদিন আগে, বর্ধমান শহরের বাদামতলায় এক চাল ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশ এখনও সেই ঘটনার কিনারা করতে পারেনি। শহর বর্ধমানে ওই চাল ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জামালপুরে ধৃত দুষ্কৃতীরা জড়িত কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ধৃতদের নামে আর কী কী মামলা রয়েছে তার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের

এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল একই পরিবারের তিনজনের। এই দুর্ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর এলাকা। মৃতরা হলেন , সন্ধ্যা বাউরি (৩০), রিঙ্কু বাউরি (১৪) ও রাহুল বাউরি(১২)। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন স্বামী স্বামী প্রশান্ত বাউরি। জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ব বর্ধমান জামালপুর থানার কুলির মুইদিপুর গ্রামে বালি বোঝাই লরি উলটে যায় দামোদরের বাঁধের রাস্তার ধারে থাকা একটি বাড়ির উপরে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। শুরু করে উদ্ধারকাজ। বাড়ির মধ্যেই প্রশান্ত বাউরির ছেলে ও মেয়ে চাপা পড়ে মারা যায়। হাসপাতালে মারা যান সন্ধ্যা বাউরি। স্থানীয়দের অভিযোগ, চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিল। গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার ফলে এই বিপত্তি ঘটেছে। আরও পড়ুন ঃ শীর্ষ নেতার ফোনেই জেলা কমিটি ঘোষণা বন্ধ করে পালালেন কল্যাণ? নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিতে হবে। এছাড়া ওই এলাকা দিয়ে বালিবোঝাই লরি চলাচল অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। নচেৎ পুলিশের হাতে কোনওভাবেই দেহ তুলে দেওয়া হবে না। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ তাদের বোঝাতে গেলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। গ্রামবাসীরা পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরে সেই জনরোষ বালিখাদানে গিয়েও পড়ে। উত্তেজিত মানুষজন ওই এলাকার বালিখাদানে চড়াও হয়। সেখানের অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে জানা গিয়েছে। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিসকে লাঠিচার্জ করতে হয় । কিছু সময় পর অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে কোন রকমে বিক্ষুব্ধ মানুষজনকে সরিয়ে দিয়ে মৃত ও জখমদের উদ্ধার করে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

খামেনেইকে কেন এখনও সমাহিত করা হয়নি? সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর দাবি

আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সেই সঙ্গে আরও দাবি করা হচ্ছে, তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেই ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনেইকে মাশহাদ শহরে সমাহিত করার পরিকল্পনা ছিল। তার আগে দেশের বিভিন্ন শহরে শোকসভা এবং জনসমাবেশের আয়োজন করার কথাও জানানো হয়েছিল। কিন্তু ১০০ দিনেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়নি বলে দাবি উঠেছে।কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগই এর প্রধান কারণ হতে পারে। ইরানের কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, বড় জনসমাবেশ হলে সেখানে হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ফলে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকির কথা মাথায় রেখেই শেষকৃত্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।এদিকে খামেনেইয়ের দেহ বর্তমানে কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর জেরে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন এবং জল্পনা তৈরি হয়েছে।কিছু প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, মোজতবা খামেনেই এখনও পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেননি। নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং শারীরিক অবস্থার কারণেই তিনি আড়ালে রয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনও দাবি করা হয়েছে যে, গত ফেব্রুয়ারির হামলায় তিনি আহত হয়েছিলেন। যদিও এই দাবিগুলিরও কোনও সরকারি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ সামনে আসেনি।সব মিলিয়ে খামেনেইকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া এই তথ্য এবং জল্পনা আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল তৈরি করেছে। তবে ইরানের সরকারি সূত্র থেকে স্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

জুন ০৮, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে তৃণমূলে মহাভাঙন! শতাব্দীর বাড়িতে শুভেন্দুর গোপন বৈঠক ঘিরে তুমুল জল্পনা

সোমবার সকাল থেকেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে ছিল চরম উত্তেজনা। একের পর এক বৈঠক, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি এবং তৃণমূলের একাধিক সাংসদের অবস্থান ঘিরে তৈরি হয় জোর জল্পনা। দিনের শেষে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল শতাব্দী রায়ের দিল্লির বাসভবনে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠক।সূত্রের খবর, সন্ধ্যায় শতাব্দী রায়ের বাড়িতে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একে একে সেখানে পৌঁছন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশ বাসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী-সহ একাধিক বিদ্রোহী সাংসদ।এই বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, লোকসভার পর এবার রাজ্যসভাকেও লক্ষ্য করে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরির চেষ্টা হতে পারে। যদিও বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক বৈঠক নয়, বরং শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং চা-চক্র।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন বিদ্রোহী সাংসদরা। সেখানে শতাব্দী রায়, আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং অসিত মাল নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন। পরে সেই বিষয়গুলি নিয়ে আরও আলোচনা করতেই শতাব্দীর বাড়িতে সন্ধ্যার বৈঠকের আয়োজন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই বৈঠকে সাংসদদের বিভিন্ন সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা হয়ে থাকতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।এর আগেই বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি জমা দিয়েছেন। সেই চিঠিতে তাঁরা বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে সূত্রের খবর। মোট ২০ জন সাংসদ এই চিঠিতে সমর্থন জানিয়েছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা এড়াতে কোনও দলের আইনসভার সদস্যদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন হয়। তৃণমূলের লোকসভায় মোট ২৮ জন সাংসদ রয়েছেন। তার মধ্যে ২০ জন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে থাকায় এই সংখ্যাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে দিল্লির ধারাবাহিক বৈঠক এবং বিদ্রোহী সাংসদদের সক্রিয়তা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট নেতাদের একাংশ এখনও এটিকে শুধুই সৌজন্যমূলক বৈঠক বলেই দাবি করছেন।

জুন ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় দল থেকে বাদ, এবার কি মুম্বই থেকেও বিদায়? সূর্যকুমারকে ঘিরে তুমুল জল্পনা|

ভারতীয় ক্রিকেটে এখন অন্যতম আলোচনার বিষয় সূর্যকুমার যাদব। জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব হারানোর পর এবার তাঁকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, শুধু জাতীয় দল নয়, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গেও কি শেষ হতে চলেছে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্ক?সোমবার আচমকাই দেখা যায়, নিজের সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স সংক্রান্ত প্রায় সমস্ত পোস্ট সরিয়ে দিয়েছেন সূর্যকুমার। শুধু তাই নয়, তিনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং দলের অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়াকেও অনুসরণ করা বন্ধ করে দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এরপর থেকেই ক্রিকেট মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।কয়েক দিন আগেই ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড সিরিজের জন্য ভারতীয় দলের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে শ্রেয়স আইয়ারকে। শুধু নেতৃত্ব নয়, দল থেকেও বাদ পড়েছেন সূর্যকুমার। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। গত প্রায় দেড় বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বড় রান করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।আইপিএলেও খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি সূর্যকে। চলতি মরসুমে ১৩ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ২৭০ রান। গড় ছিল ২০.৭৭ এবং স্ট্রাইক রেট ১৪৭.৫৪। ফলে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে খুব একটা বিস্মিত নন অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষক।তবে সব সমালোচনার মাঝেই ব্যাট হাতে জবাব দিয়েছেন সূর্য। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর প্রথম ম্যাচেই দুরন্ত ইনিংস খেলেছেন তিনি। মুম্বইয়ের একটি টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় ট্রায়াম্ফ নাইটস নর্থ ইস্ট মুম্বইয়ের হয়ে খেলতে নেমে মাত্র ৩৬ বলে ৭২ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৩টি চার এবং একটি ছক্কা। তাঁর এই ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলও জয় পায়।ম্যাচ শেষে সূর্যকুমার বলেন, দলের জন্য রান করতে পারা সবসময়ই বিশেষ আনন্দের। তাঁর এই মন্তব্য এবং দুরন্ত ইনিংসকে অনেকেই জাতীয় নির্বাচকদের উদ্দেশে বার্তা হিসেবে দেখছেন।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ার ইঙ্গিত মিললেও এ বিষয়ে এখনও সূর্যকুমার বা ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে সূর্যকুমারের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

জুন ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের! এবার কাদের বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্ত করতে পারবে সিবিআই? প্রকাশ্যে নতুন নির্দেশিকা

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, আধিকারিক বা কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কোনও অভিযোগের তদন্ত করতে গেলে আর রাজ্যের আগাম অনুমতির প্রয়োজন হবে না। তবে রাজ্য সরকারের কর্মী বা আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে হলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে আগের মতোই রাজ্যের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। সোমবার প্রকাশিত এক নতুন নির্দেশিকায় এই বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা অথবা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও অভিযোগ বা অপরাধের তদন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সরাসরি করতে পারবে। এমনকি কোনও মামলায় কেন্দ্রীয় কর্মী বা কেন্দ্রীয় সংস্থার যোগসূত্র থাকলে সেই মামলায় যুক্ত বেসরকারি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চালানোর ক্ষমতা থাকবে তদন্তকারী সংস্থার।তবে রাজ্য সরকারের কোনও কর্মী, আধিকারিক বা রাজ্যের অধীনস্থ সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার ক্ষেত্রে রাজ্যের অনুমতি বাধ্যতামূলক থাকবে। অর্থাৎ এই ধরনের তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে আগে রাজ্য সরকারের সম্মতি নিতে হবে।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, দুর্নীতির বিভিন্ন মামলায় আমলা এবং আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র অতীতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি এ-ও বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি, সমবায় সমিতির অর্থ তছরূপ এবং আদালতের নির্দেশে শুরু হওয়া বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।সেই ঘোষণার পরই স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা শাখা এই নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে, কোন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সরাসরি তদন্ত করতে পারবে এবং কোন ক্ষেত্রে রাজ্যের অনুমতি নিতে হবে।নির্দেশিকায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দিল্লি স্পেশ্যাল পুলিশ এস্টাবলিশমেন্ট আইন অনুযায়ী রাজ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত পরিচালিত হয়। সেই আইনের বিধান মেনেই এই সম্মতি ও শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে।নবান্ন সূত্রে খবর, এই নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়টি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারকেও প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, এই নতুন নির্দেশিকা ভবিষ্যতে দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। ফলে রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক স্তরে যথেষ্ট আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ০৮, ২০২৬
কলকাতা

স্বরূপের ফ্ল্যাটে রহস্যময় ঘর! ডিজিটাল লক খুলতে হিমশিম পুলিশ, বাড়ছে জল্পনা

বেহালার সাহাপুর কলোনিতে প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালাতে গিয়ে একটি ডিজিটাল লকে বন্ধ ঘরের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। ওই ঘরটি এখনও খোলা সম্ভব না হওয়ায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।সোমবার ধৃত স্বরূপ বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বাড়িতে যায় পুলিশ। কয়েক ঘণ্টা ধরে সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময়ই তদন্তকারীরা একটি বন্ধ ঘরের খোঁজ পান। ঘরটির দরজায় ডিজিটাল লক লাগানো ছিল। পুলিশ সূত্রের দাবি, স্বরূপের কাছে লকের কোড জানতে চাওয়া হলেও তিনি তা জানাতে পারেননি।এরপর লক খোলার জন্য একজন চাবিওয়ালাকেও ডাকা হয়। তবে ডিজিটাল লক হওয়ায় তিনি দরজা খুলতে ব্যর্থ হন। ফলে অন্য উপায়ে ঘরটি খোলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের অনুমান, ওই ঘরে তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি বা সামগ্রী থাকতে পারে। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে, সংশ্লিষ্ট মামলায় এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। আদালত থেকেও তিনি কোনও অন্তর্বর্তী সুরাহা পাননি বলে জানা গিয়েছে। ফলে তাঁকে খুঁজতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে স্বরূপ বিশ্বাসকে। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন, আর্থিক অনিয়ম, প্রভাব খাটানো-সহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও অস্ত্র আইনের ধারাতেও মামলা দায়ের হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিচার এখনও আদালতে হয়নি।তদন্তকারীদের মতে, এই মামলার সূত্র ধরেই অরূপ এবং স্বরূপ বিশ্বাসের বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সেই তল্লাশির মধ্যেই এই রহস্যময় ঘরের সন্ধান মেলায় নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এখন তদন্তকারীদের নজর সেই ঘরের দিকেই। ঘরটি খুলতে পারলে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।ঘরটির ভিতরে কী রয়েছে, তা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হলেও পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন আধিকারিকরা।

জুন ০৮, ২০২৬
দেশ

বাংলাদেশকে কড়া বার্তা ভারতের! দিল্লির বৈঠকে ‘পুশব্যাক’ নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

অনুপ্রবেশ এবং পুশব্যাক নীতি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হতে চলেছে। আজ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত নয়াদিল্লিতে বিএসএফ এবং বিজিবির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি এই বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে পারে বলে সূত্রের খবর।বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে ভারত স্পষ্টভাবে জানাতে পারে যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশকে গ্রহণ করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে কোনও ধরনের অজুহাত গ্রহণ করা হবে না বলেও বার্তা দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বেড়া তৈরির বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মতে, সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না। একই সঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেতে চলেছে।এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। অন্যদিকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমার।সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, কয়েক হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেই আবহেই এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, অনুপ্রবেশ রোধ, অবৈধভাবে ভারতে বসবাসকারীদের শনাক্তকরণ এবং তাঁদের বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলি বৈঠকে উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বেশ কিছু অংশে দীর্ঘদিন ধরে কাঁটাতার নির্মাণের সমস্যা ছিল। জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনেক এলাকায় কাজ এগোচ্ছিল না। তবে সেই সমস্যার একটি বড় অংশের সমাধান হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় জমিও বিএসএফকে দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর এই বৈঠকের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে নয়াদিল্লির। কেন্দ্রীয় সরকারের একাংশ মনে করছে, সীমান্ত এবং অনুপ্রবেশের মতো জটিল সমস্যা শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে নয়, কূটনৈতিক এবং প্রশাসনিক স্তরেও সমাধান করতে হবে।বিএসএফ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং অবৈধভাবে বসবাসকারীদের রাখার জন্য বিভিন্ন জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার অনুরোধও জানাতে পারে ভারত।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় চার হাজার ছিয়ানব্বই কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় আটশো ষাট কিলোমিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতার নেই। আবার প্রায় একশো চুয়াত্তর কিলোমিটার সীমান্তে ভৌগোলিক এবং অন্যান্য কারণে কাঁটাতার নির্মাণ করা সম্ভব নয়। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে দুই দেশের এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৮, ২০২৬
কলকাতা

‘ভাইপোর লোক’, ‘ডাকাত’, ‘জেল নিশ্চিত’— শুভেন্দুর মন্তব্যের পর বিস্ফোরক তরুণজ্যোতি

রাজারহাট গোপালপুরে এক অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ডাকাত শব্দ ব্যবহার করে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তিনি কারও নাম নেননি, তবে তাঁর মন্তব্যের পর সেই ডাকাত আসলে কে, তা নিয়ে শুরু হয় জোর রাজনৈতিক জল্পনা। পরে রাজারহাট গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সেই রহস্যের পর্দা সরানোর দাবি করেন।রবিবার সন্ধ্যায় রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভার উদ্যোগে আয়োজিত একটি রক্তদান শিবিরে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি প্রথমে বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির প্রশংসা করেন। এরপর তিনি বলেন, ২০২৬ সালে রাজ্যের মানুষ কার্যত দ্বিতীয় স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছেন। সেই কারণেই খারাপ আবহাওয়া সত্ত্বেও মানুষ ঘরে বসে না থেকে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।তরুণজ্যোতির প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, তাঁকে বিপুল ভোটে জিতিয়ে মানুষ এমন একজনকে পরাজিত করেছেন, যাকে তিনি ডাকাত বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছেন, ছোট ছোট কাজ কেড়ে নিয়েছেন এবং বহু মামলা দিয়ে বিরোধীদের হয়রানি করেছেন। একুশের পর রাজ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে তিনি কর্মী-সমর্থকদের আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার পরামর্শ দেন। শুভেন্দুর বক্তব্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আইনই ব্যবস্থা নেবে। তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় বলেন, যে ডাকাত-এর কথা তিনি বলছেন, তার বিষয়টি পুলিশমন্ত্রীর উপর ছেড়ে দিতে।মুখ্যমন্ত্রী নাম না বললেও পরে বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি দাবি করেন, শুভেন্দু অধিকারী আসলে দেবরাজ চক্রবর্তীর কথাই বলেছেন। তরুণজ্যোতির অভিযোগ, দেবরাজ এক সময় প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। সেখান থেকে তাঁর বিপুল সম্পত্তি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন বিজেপি বিধায়ক।তরুণজ্যোতি আরও বলেন, তিনি কখনও দেবরাজের স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তবে তাঁর প্রশ্ন, স্ত্রীর নামে এত সম্পত্তি এল কোথা থেকে? দেবরাজ চক্রবর্তী এখন কোথায়, কেন তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, আজ না হোক কাল, দেবরাজ চক্রবর্তীকে জেলে যেতেই হবে।শুভেন্দুর মন্তব্য এবং তরুণজ্যোতির এই দাবিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে দেবরাজ চক্রবর্তী বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

জুন ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ভোরে প্রবল ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপিন্স! ভেঙে পড়ল বাড়ি, জারি সুনামি সতর্কতা

প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ফিলিপিন্স। সোমবার ভোরে দেশের মিন্ডানাও দ্বীপে শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের জেরে বহু বাড়ি ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি বহুতল ভবন ধসে পড়ার খবরও সামনে এসেছে। প্রাথমিকভাবে অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৮। জার্মান ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কম গভীরতায় ভূমিকম্প হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয় এবং সুনামির ঝুঁকিও বেড়ে যায়।প্রথমে ভূমিকম্পের মাত্রা ৭.৩ বলে জানানো হলেও পরে তা সংশোধন করে ৮.২ এবং শেষ পর্যন্ত ৭.৮ বলে ঘোষণা করা হয়। শক্তিশালী কম্পনের জেরে ভোরবেলাতেই আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন হাজার হাজার মানুষ।ইতিমধ্যেই ভূমিকম্পের একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, একটি স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা আতঙ্কে বসে রয়েছে, আর চারপাশের মাটি ও ভবন কাঁপছে। সেই দৃশ্য মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।ভূমিকম্পের পরপরই দেশের উত্তর-পূর্ব উপকূলীয় এলাকাগুলিতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমুদ্রের কাছাকাছি বসবাসকারী মানুষদের দ্রুত নিরাপদ এবং উঁচু এলাকায় সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে দক্ষিণ ফিলিপিন্সের একাধিক প্রদেশের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। তাঁদের সমুদ্র উপকূল থেকে দূরে থাকতে এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলতে বলা হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আগামী কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিনের মধ্যে আরও একাধিক আফটারশক অনুভূত হতে পারে। তার মধ্যে কিছু আফটারশকও যথেষ্ট শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র সরকারি তথ্য এবং সতর্কবার্তার উপর ভরসা করার আবেদন জানানো হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

জুন ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal